Khan Sir
পাটনায় ‘খান স্যর’-এর কোচিং সেন্টারে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছিল ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ শিক্ষক রৌশন আনন্দ এবং তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে। সেই রৌশনের ভাই প্রিন্সের দেহ উদ্ধার হলো নেপালে। ঘটনাচক্রে, ফয়জ়ল খান ওরফে খান স্যরের কোচিং সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনায় প্রিন্সেরও নাম জড়িয়েছিল। সেই মামলাতেই তাঁর দাদা রৌশন বর্তমানে জেলে। পুলিশ সূত্রে খবর, ৬ জন বন্ধুর সঙ্গে নেপালে ছিলেন প্রিন্স। সেখানেই রহস্যজনক ভাবে তাঁর মৃত্যু হয়। প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, মৃত্যুর সময়ে মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন প্রিন্স।
তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রিন্সের দেহ উদ্ধার হওয়ার পরে তাঁর পাঁচ বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। পরিবারকেও খবর দেওয়া হয়েছে। পাটনায় খান স্যর এবং আনন্দ স্যরের কোচিং সেন্টারের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা দীর্ঘদিনের। অতীতে একাধিক বার তারা ঝামেলায় জড়িয়েছিল। ২০২১ সালেও খান স্যরের কোটিং সেন্টারে হামলা হয়। সে বারও আনন্দ স্যরের কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। সে বারও হামলার অভিযোগে নাম জড়ায় প্রিন্সের।
পরে আনন্দ স্যরের কোচিং সেন্টারের তরফেও খান স্যরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা হয়। ২০২৩ সালে খান স্যরের লোকেরা তাঁর কোচিং সেন্টারে হামলা চালিয়েছেন বলেও অভিযোগ তুলেছিলেন আনন্দ স্যর। চলতি বছরের ২ জুনও একই ভাবে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে দুই কোচিং সেন্টার। এ বার খান স্যরের কোচিং সেন্টারে আনন্দ স্যরের লোকেরা হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। গুলিও চলে সেখানে। সাম্প্রতিক অশান্তির ঘটনায় আনন্দ স্যর গ্রেপ্তার হয়েছেন। গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুই নিরাপত্তারক্ষীকেও। খান স্যরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। যদিও পরে তাঁকে রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত।