Maoist leader Shakuntala Mahato
আত্মসমর্পণ করলেন মাওবাদী নেত্রী শকুন্তলা মাহাতো ওরফে পুষ্পা। বুধবার লালবাজারে পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দের কাছে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। নগরপালের হাতে তুলে দিয়েছেন একটি এসএলআর, ৪০ রাউন্ড কার্তুজ এবং ম্যাগাজিন। শকুন্তলা বেলপাহাড়ির বাসিন্দা। মূলত ঝাড়খণ্ডের দলমা পাহাড় এলাকায় তাঁর কার্যকলাপ ছিল। পুলিশ কমিশনার জানান, ২০০১ সালের পর থেকে ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলে সক্রিয় ছিলেন শকুন্তলা। তাঁর মাথার দাম ছিল ১০ লাখ টাকা। ঝাড়খণ্ডেই তাঁর কার্যকলাপ থাকলেও পশ্চিমবঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে দু’টি মামলা ছিল।
আত্মসমর্পণ করে শকুন্তলা বলেন, ‘মূল স্রোতে ফিরে আসতে পেরে আমার ভালো লাগছে। আমি মনে করি, এখানকার যে পরিস্থিতি এখন, তাতে এই আন্দোলন ঠিক নয়। মাওবাদী আন্দোলনের গুরুত্ব কমে গিয়েছে। আন্দোলনের আর প্রয়োজন নেই।’বেলপাহাড়ির মেচুয়া গ্রামের বাসিন্দা শকুন্তলা। ২২ নম্বর প্ল্যাটুনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। থাকলেন বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং ওডিশার সীমানায় থাকতেন। শকুন্তলা বলেন, ‘সরকার বলেছে, পুনর্বাসন দেওয়া হবে। এর আগেও অনেকে পেয়েছেন। তাই আত্মসমর্পণ করেছি। বাকি যাঁরা এখনও আছেন, তাঁরা মূলস্রোতে ফিরে আসুন। আমার মত, আপনারাও আত্মসমর্পণ করুন। আমি মনে করছি, এটাই ঠিক রাস্তা।’