Trinamool MP
বৃহস্পতিবারই কি কংগ্রেসে যোগ দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! এহেন জল্পনার মধ্যেই লক্ষ্মীবারেই জরুরি বৈঠক ডেকেছে হাত শিবির। একদিকে যখন মমতার কংগ্রেসে যোগ নিয়ে জোর চর্চা, ঠিক সেই সময় ফের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মুর্শিদাবাদের তৃণমূলের দুই বিদ্রোহী সাংসদ খলিলুর রহমান এবং আবু তাহের খান। দিল্লিতে এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তবে কি নিয়ে এই বৈঠক তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে জেলার উন্নয়ন নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এদিন তাঁদের বৈঠক হবে বলে জানিয়েছেন খলিলুর রহমান।সপ্তাহের শুরুতেই দিল্লির অলিন্দে টানটান নাটকের সাক্ষী থেকেছে দেশ তথা রাজ্যের মানুষ। যে সময় দিল্লিতে বসে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের সঙ্গে বৈঠক করছেন, ঠিক সেই সময়ে তৃণমূল ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।
বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ-তে যোগ দিতে চেয়ে স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দেন তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ। বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠকের পরেই এহেন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। যেখানে সই করেন জঙ্গিপুরের তৃণমূল সাংসদ খলিলুর রহমান এবং মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের। সূত্রের খবর, বেশ কিছু বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে অসন্তোষ ছিল! বেশ কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরেন দুই সাংসদ-সহ আরও বেশ কয়েকজন বিক্ষুব্ধ।
যদিও তা কাটাতে সেদিনই অর্থাৎ গত সোমবারই দিল্লিতে সাংসদ শতাব্দী রায়ের বাড়িতে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। যেখানে হাজির ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীও। কিন্তু ওই বৈঠকের পরেও বেশকিছু বিষয়ে সমস্যা থেকে গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। এরপরেই এদিনের এই বৈঠক বলে জানা গিয়েছে। তবে এই বিষয়ে দিল্লি থেকে সাংসদ খলিলুর রহমান বুধবার জানান, ”গত সোমবার দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আমার ও সাংসদ আবু তাহের খানের সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল। জেলার উন্নয়ন নিয়ে একাধিক আলোচনা হয়।
তবে সেদিন মুখ্যমন্ত্রীর হাতে সময় কম থাকায় বিস্তারিত সব আলোচনা হয়নি।” সাংসদের কথায়, মুখ্যমন্ত্রী আমাদের দুই সাংসদকে বলেছিলেন উনি ১০ জুন দিল্লি আসবেন। সেদিন রাতে জেলার উন্নয়ন নিয়ে আমার ও আবু তাহেরের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেই মতো আজ, বুধবার রাতে সেই বৈঠক হতে চলেছে। খলিলুর জানিয়েছেন, আগামী বৃহস্পতিবার জঙ্গিপুর ফিরব। শুক্রবার ১২ জুন মালদহে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে তিনি এবং সাংসদ আবু তাহের খান উপস্থিত থাকবেন। তবে তাঁর বিজেপিতে যোগদানের কথা সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন খলিলুর সাহেব। তাঁর কথায়, সমাজ মাধ্যমে যে সব কথা বলা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিওিহীন। বিজেপিতে যোগদান করিনি। কখনও যাব না। তবে যতক্ষণ জনপ্রতিনিধি আছি ততক্ষণ জেলার উন্নয়নের জন্য কাজ করার চেষ্টা করে যাব।