আমেরিকায় বসেছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফুটবল বিশ্বকাপের আসর।সেই মহাযজ্ঞের উত্তাপ এখন কলকাতা থেকে টলিপাড়াতেও ছড়িয়ে পড়েছে।প্রিয় দলের জার্সি পরে, রাত জেগে খেলা দেখার উন্মাদনায় মেতে উঠেছেন অনেকেই।সেই আবহেই সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালকে নিজের অনুভূতি জানালেন অভিনেত্রী ঊষসী রায়। বিশ্বজুড়ে এই টুর্নামেন্ট ঘিরে উন্মাদনা এখন তুঙ্গে, বিশেষ করে রোনাল্ডোকে ঘিরে আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়েছে সমর্থকদের মধ্যে।
ঊষসী রায় জানান, ফুটবল বিশ্বকাপ তাঁর কাছে এক ধরনের উৎসবের মতো।ছোটবেলার বহু স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই টুর্নামেন্টকে ঘিরে।২০০২ বিশ্বকাপের সময় তাঁদের বাড়িতে প্রথম বড় রঙিন টেলিভিশন আসে, শুধু খেলা দেখার জন্যই সেই আয়োজন।আগে সাদা-কালো টিভিতে খেলা দেখলেও,সেই বিশ্বকাপে পরিবারের সবাই মিলে আলাদা আমেজে ম্যাচ উপভোগ করতেন।এখন তাঁর কাছে বড় স্ক্রিনের টিভিতে খেলা দেখার অভিজ্ঞতাই সবচেয়ে উপভোগ্য,যদিও মাঠে গিয়ে খেলা দেখার স্বপ্ন এখনও অপূর্ণ।টিকিটের দাম আকাশছোঁয়া হওয়ায় সরাসরি স্টেডিয়ামে যাওয়ার সুযোগ হয়নি তাঁর,তবে ভবিষ্যতে একদিন সেই স্বপ্ন পূরণ হবে বলে আশাবাদী তিনি।তিনি আরও বলেন,একদিন সরাসরি স্টেডিয়ামে বসে বিশ্বকাপ দেখার স্বপ্ন বাস্তব করার জন্য তিনি অপেক্ষায় আছেন এবং সেই মুহূর্তকে জীবনের বড় অর্জন হিসেবে দেখেন।এমনটাই তাঁর ব্যক্তিগত অনুভব বলেই তিনি সাক্ষাৎকারে জানান।
সমর্থনের দিক থেকে তিনি বরাবরই ব্রাজিলের ভক্ত হলেও এবার বিশ্বকাপ ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে নিয়ে।পর্তুগালের ভবিষ্যৎ নিয়েও তিনি চিন্তিত,কারণ সিআর সেভেনের এটাই শেষ বিশ্বকাপ হতে পারে।আর্জেন্টিনা ও অন্যান্য দলের পারফরম্যান্স নিয়েও কৌতূহল রয়েছে তাঁর।একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন,যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এবারের টিকিট ও খাওয়াদাওয়ার খরচ তুলনামূলক বেশি মনে হচ্ছে।আগেরবারের তুলনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কিছুটা ফিকে লেগেছে তাঁর কাছে,তবে বিশ্বকাপ জুড়ে উত্তেজনা ও আনন্দের আবহ যে বজায় থাকবে,সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত।তবে তিনি মনে করেন, পুরো আসর জুড়ে ফুটবলের আনন্দ ও আবেগ দর্শকদের আরও বেশি একত্র করবে এবং স্মরণীয় করে রাখবে এই বিশ্বকাপকে সবাইকে।