New FIR has been lodged against PA of Abhishek Banerjee
মেদিনীপুরের প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরার বিরুদ্ধে ডেবরা থানায় যে এফআইআর হয়েছিল, তাতে নাম জড়াল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের। তাঁর বিরুদ্ধেও এফআইআর করে তদন্ত শুরু হয়েছে ডেবরা থানায়। শালবনি থানার একটি মামলায় অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিতের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। তবে তাঁর খোঁজ মেলেনি। তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট সার্কুলার জারি করেছে রাজ্যের গোয়েন্দা দফতর সিআইডি। এ বার ডেবরা থানার একটি মামলায় নাম জড়িয়েছে সুমিতের। বর্তমানে সুজয় পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন।
সুজয়কে জেরা করে উঠে এসেছিল তৃণমূল সাংসদ অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিতের নাম। এ বার ডেবরা থানায় যে মামলা হয়েছে, তাতেও সুমিতের নাম জড়াল। ডেবরা থানায় মামলাটি রুজু হয়েছিল গত ১৬ জুন। অভিযোগকারী প্রসেনজিৎ রায়ের অভিযোগ, ১২টি সরকারি পদে চাকরির জন্য সাড়ে তিন লক্ষ টাকা করে দাবি করেছিলেন সুজয়। প্রথম পর্যায়ে ১২ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, ডেবরার একটি হোটেলে আশিকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন সুজয়। তিনি জানিয়েছিলেন, আশিক নবান্নের কর্মী।
তার পর অভিযোগকারী-সহ ১২ জনকে খাদ্য ভবন এবং বিকাশ ভবনে নিয়ে যান আশিক। তাঁদের মেডিক্যাল পরীক্ষাও করানো হয়। কিন্তু চাকরি হয়নি। অভিযোগকারী জানিয়েছেন, আরও টাকা চেয়েছিলেন আশিক। তিনি দাবি করেছিলেন, অভিষেকের আপ্তসহায়ককে টাকা দিতে হবে। এর পরে কিছু টাকা নিয়ে কালার জেরক্স করা নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ প্রসেনজিতের। কিন্তু প্রকৃত নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। টাকা চাইতে গেলে মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওই যুবকের।
এ বার ওই মামলাতেই সুমিতের বিরুদ্ধেও এফআইআর হল। এর আগে অন্য মামলায় সুমিতের খোঁজ করতে কালীঘাটে অভিষেকের বাড়ির সামনে পৌঁছে গিয়েছিল শালবনি থানার পুলিশ। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীও। দীর্ঘ ক্ষণ অপেক্ষা করার পরে তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করেছিল পুলিশ। সূত্রের খবর, সুমিতের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন শেষ বার তাঁরা পেয়েছিলেন অভিষেকের বাড়িতেই। সেই সূত্র ধরে অভিষেকের বাড়িতে শনিবার হানা দেয় শালবনি থানার পুলিশ। যদিও সেখানে সুমিতকে পাওয়া যায়নি। ওই একই দিনে হুগলির শ্রীরামপুরে সুমিতের শ্বশুরবাড়িতেও চলে পুলিশি অভিযান। সেখানেও তাঁর হদিস মেলেনি।