গায়ক শোভন গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রতিষ্ঠিত সঙ্গীত শিক্ষাকেন্দ্র ‘বৃক্ষ’-এর এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানটি হয়ে উঠেছিল সঙ্গীতপ্রেমী এবং শিল্পীদের এক মিলনমেলা।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা সঙ্গীত জগতের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, যার মধ্যে ছিলেন হৈমন্তী শুক্লা,শ্রীকান্ত আচার্য এবং শিলাজিৎ মজুমদার।এক বছরের সফল পথচলার আনন্দ ভাগ করে নিতে উপস্থিত হয়েছিলেন বহু ছাত্রছাত্রী ও তাঁদের অভিভাবকরাও।অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল গান,স্মৃতিচারণ এবং ভবিষ্যতের স্বপ্ন নিয়ে নানা আলোচনা।তবে সব কিছুর মধ্যেই বিশেষভাবে নজর কেড়েছেন শোভন গঙ্গোপাধ্যায় ও অভিনেত্রী সোহিনী সরকার।অতিথিদের অভ্যর্থনা থেকে শুরু করে অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দায়িত্ব সামলাতে তাঁদের একসঙ্গে দেখা যায়,যা উপস্থিত সকলের মন জয় করে নেয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শোভনের ভূয়সী প্রশংসা করেন হৈমন্তী শুক্লা।তিনি বলেন,শোভন শুধু একজন দক্ষ শিল্পীই নন,একজন অত্যন্ত বিনয়ী এবং শেখার আগ্রহসম্পন্ন মানুষও।তাঁর কথায়,সাফল্য পাওয়ার পরেও শোভনের মধ্যে কোনও অহংকার নেই।বরং নতুন কিছু জানার জন্য তিনি সব সময় উৎসুক থাকেন এবং প্রবীণ শিল্পীদের পরামর্শ মন দিয়ে শোনেন।এই গুণই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে বলে মনে করেন হৈমন্তী।তিনি আরও বলেন,শোভনের এই আন্তরিকতা,নিষ্ঠা এবং অধ্যবসায়ের ফলেই আগামী দিনে ‘বৃক্ষ’ আরও বড় পরিসরে পৌঁছাবে এবং বহু নতুন শিল্পীর স্বপ্নপূরণের ঠিকানা হয়ে উঠবে।শোভনের কাজের প্রতি একাগ্রতা এবং সঙ্গীতের প্রতি তাঁর ভালোবাসারও প্রশংসা করেন তিনি।
শুধু শোভন নয়,সোহিনী সরকারের ভূমিকাও আলাদাভাবে উল্লেখ করেন হৈমন্তী।তিনি বলেন,জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সোহিনী যেভাবে শোভনের পাশে থাকছেন,তা সত্যিই প্রশংসনীয়।তাঁদের সম্পর্ক দেখে তাঁর খুব ভালো লাগে এবং তিনি দু’জনকে দীর্ঘ ও সুখী জীবনের আশীর্বাদ জানান।তখন মজার ছলে সোহিনী বলেন,“অনেক দিন নয়,সারাজীবন একসঙ্গে থাকার আশীর্বাদ চাই।”এই মন্তব্যে হাসিতে মেতে ওঠেন উপস্থিত সকলে।এদিন ‘বৃক্ষ’-এর ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহও ছিল চোখে পড়ার মতো।অন্যদিকে,টলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে শোভন-সোহিনীর জীবনে খুব শীঘ্রই নতুন অতিথি আসতে পারে।যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তাঁদের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। পাশাপাশি জানা গিয়েছে,চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে অভিনয় থেকে কিছুদিনের জন্য বিরতি নিতে পারেন সোহিনী।