The DMU (diesel multiple unit) train from Banihal to Baramulla via Srinagar arrives at Banihal railway station. The DMU is the diesel equivalent of EMU trains that run in cities like Mumbai, New Delhi, Kolkata & Chennai. In Mumbai, they are referred to as local trains and in Chennai as electric trains. This DMU connects the Jammu valley of the state to the Kashmir valley. A 10km long tunnel connects the two sides.
আগুন লাগার গুজবে ট্রেন থেকে ঝাঁপ, বিপরীত দিকের এক্সপ্রেসের ধাক্কায় মোরেনায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা
মধ্যপ্রদেশের মোরেনায় আগুন লাগার গুজবকে কেন্দ্র করে ঘটল এক হৃদয়বিদারক রেল দুর্ঘটনা। চলন্ত ট্রেনে আগুন লেগেছে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়তেই আতঙ্কে একাধিক যাত্রী ট্রেন থেকে ঝাঁপ দেন। আর সেই আতঙ্কই ডেকে আনে ভয়াবহ বিপর্যয়। ঘটনায় কয়েকজন যাত্রীর মৃত্যুর খবর মিলেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে।
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেল প্রায় সওয়া ৪টে নাগাদ ১৯৬৬৫ খাজুরাহো-উদয়পুর ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসটি মোরেনার হেতমপুর স্টেশনের কাছ দিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময় ট্রেনে আগুন লেগেছে বলে হঠাৎ গুজব ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে কিছু যাত্রী চেন টেনে ট্রেন থামিয়ে দেন। এরপর প্রাণ বাঁচানোর তাড়নায় অনেকেই ট্রেন থেকে নেমে পড়েন বা ঝাঁপ দেন।
তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে ট্রেন থেকে ঝাঁপ দেওয়া যাত্রীদের একাংশ পাশের রেললাইনে গিয়ে পড়েন। ঠিক সেই সময় বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে ছুটে আসছিল ২০৪২৪ ফিরোজপুর-সেওনি পাতালকোট এক্সপ্রেস। পরিস্থিতি বুঝে সরে যাওয়ার মতো সময় বা সুযোগ না পাওয়ায় বেশ কয়েকজন যাত্রী ওই এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন। প্রাথমিকভাবে কয়েকজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মৃত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ঘটনার পর গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে নর্থ সেন্ট্রাল রেলওয়ের ঝাঁসি ডিভিশনের আধিকারিক, রেল পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু হয় এবং আহতদের নিকটবর্তী হাসপাতালে পাঠানো হয়।
রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ট্রেনে আদৌ আগুন লেগেছিল কি না বা কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কীভাবে এই গুজব ছড়াল এবং দুর্ঘটনার জন্য কারও গাফিলতি রয়েছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হবে। মৃত ও আহতদের সঠিক সংখ্যা এখনও সরকারিভাবে প্রকাশ করা হয়নি। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়।