বর্তমান টুর্নামেন্টে বিশ্ব ফুটবলের বড় তারকাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলো কাড়ছেন Lionel Messi।প্রথম ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করে তিনি যেন আবারও প্রমাণ করেছেন কেন তাঁকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে এত উন্মাদনা।অন্যদিকে Kylian Mbappé দুটি গোল করলেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মেসিই।Neymar এখনও মাঠে নামতে পারেননি,আর Cristiano Ronaldo গোলশূন্য থাকার পাশাপাশি তাঁর দলও প্রথম ম্যাচে জয় পায়নি। ফলে আমেরিকার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ মেসি এবং তাঁর আর্জেন্টিনা।বহুদিন ধরে‘সকার’নামে পরিচিত খেলাটি নিয়ে যে আগ্রহ মার্কিন সমাজে ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছিল,মেসির উপস্থিতি সেই উন্মাদনাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
আর্জেন্টিনার পরবর্তী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে Dallas-এ,আর সেই ম্যাচ ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে টিকিটের ব্যাপক কালোবাজারি।সাধারণ গ্যালারির টিকিটও স্বাভাবিক মূল্যের চার থেকে পাঁচ গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে।সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হলো,হসপিটালিটি বক্সের একটি টিকিটের দাম কালোবাজারে প্রায় ২,৩০০ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।শুধু তাই নয়,গ্রুপ পর্বের বাকি ম্যাচ এবং সম্ভাব্য নকআউট ম্যাচ মিলিয়ে বিশেষ প্যাকেজের মূল্য প্রায় ৭,৪০০ ডলার পর্যন্ত উঠেছে। অনেকের মতে,আমেরিকার ইতিহাসে কোনও ফুটবল ম্যাচের জন্য এত বিপুল দামে টিকিট বিক্রির ঘটনা আগে দেখা যায়নি।বিশেষ করে অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার ম্যাচ ঘিরে যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে,তা স্থানীয় ক্রীড়াজগতেও আলোচনার প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে।
এদিকে মাঠের বাইরেও মেসিকে ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।প্রথম ম্যাচে গোল করার পর তাঁকে আবেগপ্রবণ অবস্থায় দেখা যাওয়ায় তাঁর বাবা Jorge Messi-র অসুস্থতা নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।তবে পরে মেসির পরিবারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়,এসব খবরের কোনও ভিত্তি নেই।অনুশীলনেও মেসিকে বেশ স্বাভাবিক ও হাসিখুশি দেখা গেছে।অন্যদিকে কোচ Lionel Scaloni অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে দল সাজানোর পরিকল্পনায় ব্যস্ত।মিডফিল্ডে Leandro Paredes-কে ফেরানোর সম্ভাবনা রয়েছে, যাতে মেসির কাছে আরও বেশি বল পৌঁছায়।পাশাপাশি আক্রমণভাগে Julián Álvarez-কে প্রথম একাদশে রাখার বিষয়েও ভাবনা চলছে।তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ম্যাচের আগেই নেওয়া হবে।