ব্রাজিল ফুটবল শিবিরে যেন নতুন করে আশার আলো জ্বলেছে।নিউ জার্সিতে দলের অনুশীলনে দীর্ঘদিন পর সতীর্থদের সঙ্গে বল পায়ে দেখা গেল নেইমারকে।শুক্রবার হাইতির বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে এই দৃশ্য স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত করেছে সমর্থক,সতীর্থ এবং কোচিং স্টাফকে।কার্লো আনচেলত্তির অধীনে অনুশীলনের শুরুতে ফিটনেস ড্রিলে অংশ নেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। এরপর বল নিয়ে দলগত সেশনেও দেখা যায় তাঁকে। কয়েক সপ্তাহ আগেও যিনি একা পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত ছিলেন,তাঁকে আবার মূল দলের সঙ্গে দেখা যাওয়ায় বদলে গেছে পুরো শিবিরের আবহ।সতীর্থদের করতালি ও উচ্ছ্বাসই বলে দিচ্ছে নেইমারের উপস্থিতি দলের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
এই অবস্থায় পৌঁছাতে অবশ্য কঠিন সময় পার করতে হয়েছে তাঁকে।স্যান্টোসের হয়ে কুরিতিবার বিরুদ্ধে ম্যাচে ডান পায়ের কাফে চোট পাওয়ার পর প্রায় এক মাস মাঠের বাইরে ছিলেন নেইমার।গত সোমবারও তাঁকে মেডিক্যাল পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল।মঙ্গলবার প্রথমবার মাঠে ফিরে হালকা দৌড়ালেও বুধবারের অনুশীলনে দেখা যায় আরও ইতিবাচক অগ্রগতি।গতি বাড়ানো,দিক পরিবর্তন এবং বল নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়েও বেশ স্বচ্ছন্দ ছিলেন তিনি।পাশাপাশি জিম ও রিহ্যাবে নিয়মিত পরিশ্রম করে নিজের ফিটনেস ধরে রেখেছেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার।ধাপে ধাপে ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পাওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
তবে হাইতির বিরুদ্ধে ম্যাচে তাঁকে মাঠে দেখা যাবে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়।অনুশীলনের প্রথম ১০ মিনিট দলের সঙ্গে কাটানোর পর আবার আলাদা হয়ে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ফিরে যান নেইমার।ফলে ম্যাচে তাঁর খেলার সম্ভাবনা এখনও খুবই কম।আনচেলত্তিও কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ।তবে মাঠে না নামলেও দলের সঙ্গে নেইমারের উপস্থিতি ব্রাজিল শিবিরে নতুন আত্মবিশ্বাস এনে দিয়েছে।ড্রেসিংরুমে তাঁর উপস্থিতি সতীর্থদের মানসিক শক্তিও বাড়িয়েছে।কোচিং স্টাফ মনে করছে, ধীরে ধীরে তিনি পুরোপুরি ম্যাচ ফিট হয়ে উঠবেন।সমর্থকদের চোখ এখন বিশেষত তাঁর সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের দিকে,এবং এই নিয়েই এখন সকলের উত্তেজনা তুঙ্গে।