২০১২ সালে হোমি আদাজানিয়ার পরিচালনায় মুক্তি পাওয়া ‘ককটেল’ছিল বলিউডের রোম্যান্টিক কমেডি ধারার একটি জনপ্রিয় ছবি।সাইফ আলি খান, দীপিকা পাডুকোন ও ডায়ানা পেন্টির অভিনয়ে সেই ছবিটি দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নেয়।দীর্ঘ চোদ্দ বছর পর সেই গল্পের নতুন অধ্যায় নিয়ে ফিরছে‘ককটেল টু’,যা মুক্তি পেতে চলেছে ১৯ জুন।পুরনো চরিত্রের বদলে এবার দেখা যাবে শাহিদ কাপুর,কৃতী শ্যানন ও রশ্মিকা মন্দানাকে, যাদের নতুন রসায়নকে ঘিরে ইতিমধ্যেই দর্শকমহলে তৈরি হয়েছে তুমুল আগ্রহ।
পূর্বাভাস আর অগ্রিম বুকিংয়ের ঝড় নিয়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রে ছবিটি।স্যাকনিকের রিপোর্ট অনুযায়ী মুক্তির আগেই ভারতে‘ককটেল টু’-এর অগ্রিম বুকিং ২.৪৯ কোটি টাকা ছুঁয়েছে,আর ব্লকড সিট যোগ হয়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪.৬৬ কোটি টাকায়।ইতিমধ্যেই সারা দেশে ৭০ হাজারের বেশি টিকিট বিক্রি হয়েছে,যার মধ্যে মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি সাড়া মিলেছে।
মহারাষ্ট্রে ১৪৯১টি শোয়ের জন্য অগ্রিম বুকিংয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬২.১৫ লক্ষ টাকা,ব্লকড সিটসহ যা পৌঁছেছে ৯৭.২৪ লক্ষ টাকায়।বিশেষজ্ঞদের মতে,বড় শহর দিল্লি-এনসিআর,মুম্বাই,পুনে,বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদে দর্শকদের আগ্রহ স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।বর্তমান প্রবণতা অনুযায়ী ছবিটি প্রথম দিনে প্রায় ৫ থেকে ১০ কোটি টাকার মধ্যে আয় করতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।যদিও অগ্রিম বুকিং কখনোই চূড়ান্ত সাফল্যের নিশ্চয়তা দেয় না,তবুও এটি দর্শকদের আগ্রহের শক্তিশালী ইঙ্গিত বহন করে।১৯ জুন মুক্তির আগে শেষ মুহূর্তের বুকিং আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে,আর সেই অপেক্ষায় উন্মুখ সিনেপ্রেমীরা।নির্মাতারা আশা করছেন,ছবিটি মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই বক্স অফিসে শক্ত অবস্থান তৈরি করবে এবং দর্শক প্রতিক্রিয়া আরও নতুন রেকর্ড গড়তে পারে।ট্রেলার ও গান প্রকাশের পর থেকেই ছবিটি নিয়ে যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে,তা এখন টিকিট বিক্রিতেও প্রতিফলিত হচ্ছে। এই কারণে প্রযোজনা সংস্থা ও পরিবেশকরা আশাবাদী যে ‘ককটেল টু’ বছরের অন্যতম সফল রোম্যান্টিক কমেডি হতে পারে এবং দর্শকরা হলে গিয়ে নতুন অভিজ্ঞতার স্বাদ নেবেন।এবং সিনেমা হলে দর্শকদের ভিড় আরও বাড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।প্রথম দিনের আয়ের রেকর্ড ভাঙার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।